বিল্লাল হুসাইন,যশোরঃ
যশোরে কখনো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, আবার কখনো বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্য। মূলত এসব পরিচয় দিয়েই হাতিয়ে নিচ্ছিলেন হাজার হাজার টাকা। এমন কাজ করতেন, শাহাদৎ হোসেন (শাহা) তার এই কাজের সঙ্গী ছিলো স্ত্রী নাজমা বেগম। নাজমা বেগম মৃত কনস্টেবল এর স্ত্রী সেজে কাঁন্না জনিত কন্ঠে অভিনয় করত।এভাবেই ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সাহায্যের নাম করে অর্থ হাতিয়ে নিত শাহাদৎ হোসেন শাহা ও তার স্ত্রী। আসামী মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসেন ( শাহা (৫২), কখনো শাহাদত জামান কনষ্টেবল জামান, সচিব মঞ্জুরুল ইসলাম, সচিব গোলাম কিবরিয়া, পিতা- মৃত আঃ লতিফ মাষ্টার, সাং- বালিয়াচন্ডি, থানা- শ্রীবরদী, জেলা-শেরপুর। নাজমা বেগম (৪০), পিতা- শাহাদৎ হোসেন (শাহা) শাহাদত জামান, সাং- বালিয়াচন্ডি, থানা- শ্রীবরদী, জেলা-শেরপুর সহ অজ্ঞাতনামা প্রতারক চক্র বিগত ২০১৩ইং সাল থেকে সচিব পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে, বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তার নিকট থেকে প্রতারনা মূলকভাবে এবং সাধারণ জনগনকে চাকুরী দেয়ার কথা বলে, বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন জেলায় অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ধরনের তথ্য যশোর জেলা পুলিশের নজরে আসলে বিষয়টি পুলিশ সুপারের নির্দেশক্রমে কোতয়ালী মডেল থানায়, একটি জিডি করা হয় এবং অপরাধীদের পরিচয় সনাক্ত করা হয়।যশোর জেলার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, এর নির্দেশক্রমে ডিবি’র এসআই মফিজুল ইসলাম, সচিব ও পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে মিথ্যা পরিচয়দানকারী ব্যক্তিকে সনাক্ত পূর্বক ডিবি’র ভারপ্রাপ্ত ওসি পুলিশ পরিদর্শক সোমেন দাশের, নেতৃত্বে শেরপুর জেলায় রওনা হয় গত (২৪-০৭-২০২০ইং) তারিখে রাত ০৩ টা ৩০ মিঃ সময়, শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানাধীন বালিয়াচন্ডি সাকিনে অভিযান পরিচালনা করে ভুয়া সচিব,কনস্টেবল শাহাদৎ হোসেন ও তার স্ত্রী নাজমা বেগমকে আটক করেন পুলিশ।আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে ও উদ্ধারকৃত আলামত থেকে বোঝা যায়, তারা বিগত ২০১৩ইং সাল হইতে, সরকারী কর্মচারী (জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব-মহামান্য রাষ্ট্রপতির পিএস-পুলিশ কনষ্টেবল ইত্যাদি) মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী, ব্যক্তির নিকট থেকে স্ব-শরীরে ও মোবাইল ফোনে বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণাপূর্বক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য প্রমান পাওয়া যায়।উদ্ধারকৃত আলামত ০৪টি মোবাইল সেট ০৮টি মোবাইল সীমকার্ড (বিকাশ নাম্বার ও মিথ্যা পরিচয় দিয়ে কথোপকথনকৃত সীম) রেঞ্জ কার্যালয়, সিলেট রেঞ্জ কার্যালয়, খুলনা রেঞ্জ কার্যালয়, চট্টগ্রাম এসএমপি কেএমপি ডিএমপি, কুমিল্লা হাইওয়ে অঞ্চল, পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জ সহ মোট ১১টি দপ্তরে ভুয়া কনষ্টেবল। জামানের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদনপত্র। ২টি চাকুরীর আবেদনপত্র (বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা ইনষ্টিটিউট, গাজীপুর) সিএমপি’র অফিসিয়াল ফাইল কভার ইত্যাদি।গ্রেফতারকৃত আসামীদের নাম ও ঠিকানা মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসেন (শাহা) শাহাদত জামান কনষ্টেবল জামান, সচিব মঞ্জুরুল ইসলাম, সচিব গোলাম কিবরিয়া (৫২), পিতা- মৃত আঃ লতিফ মাষ্টার, সাং- বালিয়াচন্ডি, থানা- শ্রীবরদী, জেলা-শেরপুর। নাজমা বেগম (৪০), পিতা- শাহাদৎ হোসেন (শাহা) শাহাদত জামান, সাং- বালিয়াচন্ডি, থানা- শ্রীবরদী, জেলা-শেরপুর।)
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৬ জুলাই ২০২০/ইকবাল